সুপ্রভাত বাংলাদেশ
উচ্চ আদালতের একটি রায়ে আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারল ভুক্তভোগী নগরবাসী।এই রায়ের
ফলে বিতর্কিত ও অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে প্রশাসন।অনুমোদনহীন এসব রিকশা মালিকদের করা রিট মামলা গত বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।
২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি বিনিয়োগ বোর্ড বিভাটেক লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ২৪০০টি অটোরিকশা প্রস’ত বা সংযোজনের অনুমতি দেয়। ২০১২ সালের শুরু থেকে রাস্তায় চলাচল শুরু করে এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা। ২০১৩ সালে রিকশার মালিকরা লাইসেন্সের জন্য সিটি কর্পোরেশনের কাছে আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে স’ানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দেশনা চায়। কিন’ টেক্সাশন রুলস এর বিধান ও স’ানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন-২০০৯ এর বিধানে এমন রিকশার লাইসেন্স দেওয়ার নিয়ম না থাকায় ২০১৩ সালের জুলাই মাসে স’ানীয় সরকার মন্ত্রণালয় লাইসেন্স না দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিটি কর্পোরেশনকে।
অন্যদিকে মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর ধারা-২৫ অ্যাক্ট অনুযায়ী রিকশার রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার বিধান না থাকায় বিআরটিএ এসব রিকশার রেজিস্ট্রেশন না দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এরপরে এসব রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস’া নিতে চাইলে রিকশা মালিকরা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিবাদি করে একাধিক রিট পিটিশন করে। এতদিন রিট আবেদনের ফয়সালা না হওয়ায় এসব রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস’া নিতে পারেনি প্রশাসন। এখন রায়ের পূর্ণকপি হাতে পেলে কার্যকর ব্যবস’া গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।
বিগত বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ব্যাটারিচালিত রিকশার বিষয়ে নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। হঠাৎ করে নগরে এ ধরনের রিকশা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ঘটনার সংখ্যাও বৃদ্ধি পায় অস্বাভাবিক হারে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও যাত্রীকল্যাণ সমিতির তথ্যমতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের প্রায় ৭০ শতাংশই এ ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশার যাত্রী। এই রিকশায় দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারও কম নয়। যাত্রী ছাড়াও অনেক সময় চালক নিহত হওয়ার ঘটনাও অনেক।
উচ্চ আদালতের একটি রায়ে আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারল ভুক্তভোগী নগরবাসী।এই রায়ের
২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি বিনিয়োগ বোর্ড বিভাটেক লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ২৪০০টি অটোরিকশা প্রস’ত বা সংযোজনের অনুমতি দেয়। ২০১২ সালের শুরু থেকে রাস্তায় চলাচল শুরু করে এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা। ২০১৩ সালে রিকশার মালিকরা লাইসেন্সের জন্য সিটি কর্পোরেশনের কাছে আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে স’ানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দেশনা চায়। কিন’ টেক্সাশন রুলস এর বিধান ও স’ানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন-২০০৯ এর বিধানে এমন রিকশার লাইসেন্স দেওয়ার নিয়ম না থাকায় ২০১৩ সালের জুলাই মাসে স’ানীয় সরকার মন্ত্রণালয় লাইসেন্স না দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিটি কর্পোরেশনকে।
অন্যদিকে মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর ধারা-২৫ অ্যাক্ট অনুযায়ী রিকশার রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার বিধান না থাকায় বিআরটিএ এসব রিকশার রেজিস্ট্রেশন না দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এরপরে এসব রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস’া নিতে চাইলে রিকশা মালিকরা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিবাদি করে একাধিক রিট পিটিশন করে। এতদিন রিট আবেদনের ফয়সালা না হওয়ায় এসব রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস’া নিতে পারেনি প্রশাসন। এখন রায়ের পূর্ণকপি হাতে পেলে কার্যকর ব্যবস’া গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।
বিগত বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ব্যাটারিচালিত রিকশার বিষয়ে নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। হঠাৎ করে নগরে এ ধরনের রিকশা বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ঘটনার সংখ্যাও বৃদ্ধি পায় অস্বাভাবিক হারে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও যাত্রীকল্যাণ সমিতির তথ্যমতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের প্রায় ৭০ শতাংশই এ ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশার যাত্রী। এই রিকশায় দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারও কম নয়। যাত্রী ছাড়াও অনেক সময় চালক নিহত হওয়ার ঘটনাও অনেক।
এসব রিকশা ব্যাটারি বা যন্ত্রের সাহায্যে গতি বৃদ্ধি করা হলেও গিয়ারবিহীন ও হ্যান্ডব্রেক হওয়ার কারণে গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তাছাড়া সনাতনরিকশা ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে অটোরিকশার চেয়ে বেশি হওয়ায় বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রশিক্ষণহীন চালকদের আয়ের উৎস হয়ে ওঠে এসব রিকশা। ট্রাফিক নিয়মকানুন না জানা ও প্রশিক্ষণের অভাবে তাই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটায় এরা। ফলে গত এক দেড় বছর ধরে বিভিন্ন মহল থেকে এসব রিকশা বন্ধ করার দাবি জোরালো হতে থাকে। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম হলেও সাধারণ মানুষ এই রিকশা চলাচল বন্ধের পক্ষেই থেকেছে।
একটি আধুনিক নগরে কী ধরনের যানবাহন চলাচল করবে তা নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেবে যথাযথ কর্তৃপক্ষ। নগর ও নাগরিকদের উপযোগী যান চলাচলের ব্যবস’াই সাধারণত গ্রহণ করা হয়। কিন’ স্বাধীনতার চার দশক পরেও দেশের নগরগুলোতে সমন্বিত একটি পরিবহন নীতি গড়ে ওঠেনি। গড়ে ওঠেনি গণপরিবহন ব্যবস’াও। ফলে এক্ষেত্রে বিরাজ করছে চরম অব্যবস’াপনা। এর ফলে নগরীর সৌন্দর্য, শৃঙ্খলাহানির পাশাপাশি যাত্রীরাও পড়েছে সংকটে।
একটি অনিয়ম সাধারণত অনেক অনিয়মকে ডেকে আনে। যেমন একটি মিথ্যা অনেক মিথ্যার জন্ম দেয়। শুধু ব্যাটারিচালিত রিকশাই নয়, দেশের প্রায় প্রতিটি ছোট বড় শহরে এ ধরনের রিকশার ন্যায় অজস্র গাড়ি কিলবিল করছে রাস্তাঘাটে। কোথাও এদের নাম টমটম কোথাওবা অন্যনাম। এছাড়া মহাসড়কে অনেকদিন থেকে চলাচল করে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হয়ে উঠলেও নসিমন ধরনের যান চলাচল বন্ধেও কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস’া গ্রহণ করতে পারেনি। মোট কথা নগরের অভ্যন্তরে বলুন বা এর বাইরে সড়ক- মহাসড়কগুলোতে বলুন যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে সম্পূর্ণ ব্যর্থ তা আর চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর প্রয়োজন নেই। এর ফলে বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দেশের শীর্ষ তালিকায়।
ইতিমধ্যেই ব্যাটারিচালিত রিকশার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মহীন মানুষ ও কম আয়ের শ্রমিকরা বেশি উপার্জনের আশায় দলে দলে চলে এসেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটের মতো বড় শহরগুলোতে। ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বেশির ভাগই এরা। ইতিমধ্যেই এদের অধিকাংশই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এসব রিকশার ওপর।
এই বিপুল সংখ্যক মানুষের বিকল্প কর্মসংস’ানের ব্যবস’া না করে এবং বর্তমান রমজান মাস ও ঈদকে সামনে রেখে এদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করাও (বর্তমানে) কতটা মানবিক হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে যাই হোক অনিয়ম যত দ্রুত সম্ভব নিয়ন্ত্রণ করাই শ্রেয়। তবে এর পাশাপাশি যাত্রীদের কথা ভেবে কর্তৃপক্ষের উচিত হবে বড় বড় শহরগুলোতে গণপরিবহন ব্যবস’া গড়ে তোলা। শুধু শহরেই নয় আন্তশহর যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গণপরিবহনকে একটি সুশৃঙ্খল নিয়মের মধ্যে আনা। দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস’া নাজুক। তার ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত আছে সড়ক দুর্ঘটনা। মাত্র কয়েকদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় যে দশ ব্যক্তি প্রাণ হারালেন সে দুর্ঘটনা ঘটেছে চালকের অসতর্কতা ও গাফিলতির কারণে। বলা হয়েছে চলন্ত অবস’ায় চালক স্টিয়ারিংয়ের ওপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এমন ঘটনা নতুন নয়। দুর্ঘটনার অন্যতম কারণের মধ্যে এটিও একটি। দুর্ঘটনা নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হয়েছে আমি শুধু একটি বিষয়েই একটু আলোকপাত করতে চাই।
অনেক তথ্য-উপাত্ত, গবেষণা ও বিচার বিশ্লেষণ করে একজন মানুষের দৈনিক শ্রমঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ ঘণ্টা। এর বাইরে কাজ করলে তা ‘ওভারটাইম’ হিসেবে গণ্য হবে এবং তা করতে একজন শ্রমিক-কর্মচারী বাধ্য নন। একজন শ্রমিক তার আর্থিক প্রয়োজন ও শারীরিক সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে ‘ওভারটাইম’ করে থাকেন। তবে বাংলাদেশ ও এর মতো তৃতীয় বিশ্বের কোথাও কোথাও এর ব্যতিক্রম আছে। শ্রমিকদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এবং ওভারটাইমের পারিশ্রমিক ছাড়াই কাজ করিয়ে নেন। আমার ধারণা বাংলাদেশে এ ক্ষেত্রে পরিবহন চালকরাই সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার হন। শুধু আট ঘণ্টা নয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একেকজন চালককে ২৪ ঘণ্টারও অধিক গাড়ি চালানোর মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে হয়।
এই পরিস্হিতি মারাত্মক আকার ধারণ করে দু ঈদ ও বিভিন্ন কারণে টানা ছুটির সময়ে। ঈদের সপ্তাহখানেক আগে থেকে একজন চালক ড্রাইভিং সিটে বসার পর সে নিশ্চিত নয় কতঘণ্টা পর তার প্রয়োজনীয় বিশ্রামটি মিলবে। দূরবর্তী যাত্রায় তাদের অবস’া আরও বেশি সঙ্গীন হয়ে ওঠে। দীর্ঘ যানজট, সড়ক অব্যবস্থাপনা ও নানা স’ানে বিভিন্ন প্রকার চাঁদাবাজির মতো বিড়ম্বনা সহ্য করে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। দেশের অধিকাংশ যানবাহনে বদলি চালকের ব্যবস’া নেই। ব্যবস’া নেই তাদের বিশ্রাম, বিনোদন ও প্রাত্যহিক ক্রিয়াকর্ম সমাধা করার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালকের আসনে বসে থাকতে থাকতে একজন চালকের ক্লান্তি আসতেই পারে। এবং এ ক্ষেত্রে যে কোনো সময় ঘটতে পারে চরম দুর্ঘটনা।
উন্নত বিশ্বে নয় শুধু আমাদের দেশেও চালকদের এই পরিসি’তি বিবেচনা করা হয় যেমন সশস্ত্রবাহিনীর প্রতিটি গাড়িতে একজন ‘সেকেন্ড সিটার’ থাকেন। অর্থাৎ চালকের পাশের আসনে দ্বিতীয় আরেকজন চালক থাকা বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয় কত কিলোমিটার গাড়ি চালানোর পর একজন চালককে বিশ্রামের সময় দিতে হবে এবং কখন আরেকজন বদলি চালক গাড়ি চালাবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে এবং তারা তা যথাযথভাবে পালনও করে। তাই এক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর মতো সুশৃঙ্খল বাহিনীতে সড়ক দুর্ঘটনার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
প্রতিটি মানুষেরই একটি মানবিক দিক থাকে। তাঁর পারিবারিক ও সামাজিক জীবন থাকে। একজন চালক যখন চালকের আসনে বসেন তখন তাকে এসব কিছু থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে হয়। কিন’ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় তা কতটা সম্ভব। গন্তব্যে রওনা দিয়ে মাঝপথে যদি একজন চালক শোনে যে ঘরে তার কোনো স্বজন যেমন-সন্তান, স্ত্রী বা বাবা-মা অসুস’ তখন তার মানসিক অবস’া কী দাঁড়াবে। কোনো এক প্রান্তে নিরাপত্তাহীনভাবে রেখে আসা তার পরিবারের কথা ভেবে তার মানসিক অবস’া কী হবে তখন।
এ ক্ষেত্রে তার পরিবারের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস’া যদি থাকতো কিংবা একজন বদলি চালকের ব্যবস’া থাকলে হয়ত সে চালক নিশ্চিত হতে পারত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশে সে ধরনের কোনো ব্যবস’া গড়ে ওঠেনি। এতদিনেও তেমন ব্যবস’া গড়ে তোলার প্রয়োজন মনে করেনি কেউ। কাজেই চালকদের জন্য যদি আবাসন ব্যবস’া, বিশ্রামাগার ও তার প্রয়োজন অনুযায়ী ছুটি-ছাটার ব্যবস’া করা যেত সেক্ষেত্রে সড়ক দুর্ঘটনার হার ব্যাপকভাবে কমানো যেত।
হাইওয়ের পাশে চালকদের বিশ্রামাগার, বদলিচালক ও বিভিন্ন টার্মিনালগুলোর আশে-পাশে অথবা টার্মিনালকে বহুতলবিশিষ্ট করে চালক-হেলপারদের বিশ্রাম ও অবসর বিনোদনের ব্যবস’া করা যেতে পারে। দুর্ঘটনার সব দায় চালকদের ওপর না চাপিয়ে সরাসরি বেসরকারি উদ্যোগে চালকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস’া গ্রহণ করে সঠিক দায়িত্ব পালন করাও জরুরি। দেশের এনজিওগুলো শুধুমাত্র ক্ষুদ্র ঋণের দিকে না ঝুঁকে এবং সে সাথে স’বির হয়ে পড়া শ্রমিক সংগঠনগুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারতো। কারণ দেশের বিদ্যমান পরিসি’তিতে এটি কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।
লেখকঃ কবি, সাংবাদিক ও কলাম লেখক
email: qbadal@yahoo.com
Google+
http://www.suprobhat.com/?p=168798
http://www.suprobhat.com/?p=168798
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মন্তব্য লিখুন