দৈনিক আজাদী উপসম্পাদকীয় কাল, আজ, কাল
২ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২০১২ খ্রি. ১৮ শ্রাবণ ১৪১৯ সাল. ১৩ রমজান ১৪৩৩ হিজরি
কামরুল হাসান বাদল
লেখকঃ কবি, সাংবাদিক ও কলাম লেখক
email: qbadal@yahoo.com
২ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২০১২ খ্রি. ১৮ শ্রাবণ ১৪১৯ সাল. ১৩ রমজান ১৪৩৩ হিজরি
কামরুল হাসান বাদল
গত ১৯ জুলাই- এই শিরোনামে লেখার প্রথম কিস্তি প্রকাশিত হওয়ার পরে অনেকে সাক্ষাতে ও টেলিফোনে জানতে চেয়েছেন আমি মামলায় জড়ানোর আশংকা কেন ব্যক্ত করে ছিলাম। তাদের উদ্দেশ্যে বলি তা আমি এক প্রকার ক্ষুব্ধ হয়ে লিখেছিলাম। কারণ স্বত্বের বিষয়ে বইটিতে লেখা হয়েছিল, ‘এই বইটির কোন অংশ বিশেষই যে কোন রূপেই হোক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট অথবা প্রকাশকের অনুমতি ব্যতীত কোথাও কোনভাবে পুনর্মুদ্রণ করা যাবে না।’ আমি এমন শর্তারোপের সাথে দ্বিমত পোষণ করি। কারণ আমি মনে করি এই বইটি কিংবা এর কোন অংশ যতবেশি উদ্ধৃত হবে, প্রকাশিত হবে ততবেশি উপকৃত হবে জাতি। বইটির বাংলাদেশে প্রকাশক ‘দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড’ শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিকভাবেও সুপরিচিত একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এই সংস্থা থেকে গ্রন্থ প্রকাশ গৌরবের বিষয় বৈ কি। এর সত্ত্বাধিকারী মহিউদ্দিন আহমেদ সাহেব নিজেও একজন শিক্ষিত, জ্ঞানী ও সজ্জন ব্যক্তি। আর সে সাথে তিনি এই গ্রন্থটি সুচারুভাবে, আন্তরিকতার সাথে প্রকাশের দায়িত্ব নিয়ে একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন সন্দেহ নেই। সে জন্য তিনি ধন্যবাদার্হ। তবে আমি মনে করি, বইটির দাম ৫২৫ টাকা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একটু বেশি। যদিও স্বীকার করতে হয় কাগজ ও মূদ্রণ ব্যয়ের কারণে প্রকাশক এই দাম রাখতে বাধ্য হয়েছেন তবে এমন কি হতে পারতো না ভর্তুকী দিয়ে বইটির দাম মধ্যবিত্তের ক্রয় সীমার মধ্যে রাখা। এই ভর্তুকী স্বয়ং মেমোরিয়াল ট্রাস্টও তো দিতে পারতো। অথবা চাইলে এমন অনেকেই আছেন বইটি প্রকাশের জন্যে স্বইচ্ছায় অনুদান দিয়ে এর বহুল প্রচারে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারতেন। যাই হোক আমি মনে করি গুরুত্বপূর্ণ এই বইটির সুলভ সংস্করণ বের করা উচিৎ। যাতে করে দেশের বেশি সংখ্যক পাঠক যেনো এটি পড়ার সুযোগ পান। আমি আগেও বলেছি বইটি সবার পড়া উচিৎ। রাজনৈতিক কর্মী ও নেতাদের এবং তা বিশেষ করে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও এর সমর্থক অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের। সাধারণ একটি পরিবারের সন্তান নিজের চেষ্টা, আত্মবিশ্বাস, শ্রম,মেধা, সততা এবং দেশ ও মানবপ্রেমের দ্বারা একটি জাতির নেতৃত্ব গ্রহণ করলেন। কীভাবে একজন রাজনৈতিক কর্মী বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির জনকে পরিণত হলেন। তা জানার জন্যে এবং তার আদর্শ নিজেদের মধ্যে ধারণ করার জন্য।
আজ রাজনীতি পরিণত হয়েছে অল্প সময়ে কোটিপতি হওয়ার সহজ মাধ্যম হিসেবে। নিজেদের আখের গোছাতেই তৎপর আজ প্রায় রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা। দেশের জন্যে জাতির জন্যে ত্যাগ কাকে বলে বর্তমান রাজনীতির অভিধানে তা বোধ হয় নেই। ক্ষমতার সাথে সাথে নিজেদের ভাগ্য বদলই আজ মুখ্য উদ্দেশ্য অধিকাংশ নেতা কর্মীদের।
মূল সংগঠনের নেতাদের বাদই দিলাম। আজ ছাত্র নেতারাও কোটিপতি। তারা বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। নিজস্ব বাড়ি বা ফ্ল্যাটে বসবাস করে চলাফেরা করেন নিজস্ব গাড়িতে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নিয়ে রাজনীতি করার চেয়ে টেন্ডার আর চাঁদা ভাগাভাগীর রাজনীতিতে ব্যস্ত বেশি তারা। এই অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা বাদ যাবে না। অথচ এই ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু স্বয়ং কেমন ছিলেন ছাত্র রাজনীতিতে? দেখা যাক তার নিজের জবানবন্দিতে। (দেশ বিভাগের আগে মুসলিম লীগ মন্ত্রিসভার পতন হয়েছে। এমএলএরা টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছেন) এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, “এর পূর্বে আমার ধারণা ছিলনা যে, এমএলএরা এইভাবে টাকা নিতে পারে। এরাই দেশের ও জনগণের প্রতিনিধি।” ঐ সময়ে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে অনাস্থা ভোটের প্রচলন ছিল যেখানে দলীয় এমএলএরা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারতেন। এই নিয়মের সুযোগে তৎকালীন এমএলএরা টাকার বিনিময়ে নিজ দলের বিরুদ্ধে সংসদে অনাস্থা ভোট দিতেন। প্রিয় পাঠক এই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই বঙ্গবন্ধু সংবিধানে বর্তমান ধারাটির প্রচলন করেছিলেন যেখানে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বা অনাস্থা ভোটে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে অর্থাৎ ফ্লোর ক্রস করলে সংসদ সদস্যপদ হারাতে হয়। ’৭০ এর নির্বাচনের পরে পাকিস্তান শাসক গোষ্ঠী যখন সরকার গঠনে আওয়ামী লীগ তথা বঙ্গবন্ধুকে আহবান জানাতে গড়িমশি করছিল তখন মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, তৎকালীন রেসকোর্স মাঠে নির্বাচিত সকল প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করছিলেন। বাঙালিদের চরিত্র তার চেয়ে কে বেশি বুঝবে আর। যাক আমি মূল কথায় ফিরে আসি। মুসলিম লীগ সরকার পতনের ঐ সময়ের একটি ঘটনা। যখন এমএলএদের পাহারা দিয়ে রাখতে হচ্ছে, প্রতিপক্ষের টাকা খেয়ে যেনো শহীদ সাহেবের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট না দেয়। বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘এই সময়ে ফজলুর রহমান সাহেব আমাকে ডাকলেন। তিনি চিফ হুইফ ছিলেন। আমাকে বললেন, আপনাকে এই বারটার সময় আসাম বেঙ্গল ট্রেনে রংপুর যেতে হবে। মুসলিম লীগের একজন এমএলএ যিনি খান বাহাদুরও ছিলেন তাকে নিয়ে আসতে হবে। টেলিগ্রাম করেছি, লোকও পাঠিয়েছি, তবুও আসছেন না। আপনি না গেলে অন্য কেউ আনতে পারবে না।--- খাওয়ার সময় পেলাম না। যুদ্ধের সময় কোথাও খাবার পাওয়া কষ্টকর। ট্রেনে চেপে বসলাম। তখন ট্রেনের কোন সময়ও ঠিক ছিল না। মিলিটারিদের ইচ্ছেমত চলতো।--- রিকশাওয়ালা খান বাহাদুর সাহেবের বাড়ি চেনে,আমাকে ঠিকই পৌঁছে দিল। আমি অনেক ডাকাডাকি করে তাঁকে তুললাম, চিঠি দিলাম। তিনি আমাকে জানেন। বললেন আগামীকাল আমি যাবো। আজ ভোর পাঁচটায় যে ট্রেন আছে সে ট্রেনে যেতে পারবো না। আমি বললাম, তাহলে আপনি চিঠি দিয়ে দিন, আমি ভোর পাঁচটায় ট্রেনে ফিরে যেতে চাই। তিনি বললেন, সেই ভাল হয়। আমাকে জিজ্ঞাস করলেন না কিছু খাব কিনা। পথে খেয়েছি কিনা। বললেন, এখন তো রাত তিনটা বাজে,বিছানার কি দরকার হবে? বললাম দরকার নাই। যে সময়টা আছে বসিয়েই কাটিয়ে দেবো। ঘুমালে আর উঠতে পারবো না খুবই ক্লান্ত। একদিকে পেট টনটন করছে। অন্যদিকে অচেনা রংপুরের মশা। গতরাতে কলকাতার বেকার হোস্টেলে ভাত খেয়েছি। এক গ্লাস পানি দিলে ভাল হয়।--- কলকাতায় পৌঁছলাম আরেক সন্ধ্যায়। রাতে আবার হোস্টেলে এসে ভাত খাই। ৪৮ ঘণ্টার প্রায় অনাহারে কলকাতা-রংপুর-কলকাতা ঘুরে এসেছেন দলীয় সিদ্ধান্তে। এমনি শত শত ঘটনা আছে বঙ্গবন্ধুর জীবনে। বঙ্গবন্ধু কারাগারে একবার অনশন করেছিলেন। প্রায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা বঙ্গবন্ধু মুক্তির জন্যে আপোষ করেন নি। পুলিশের ভয়ে পালিয়ে যাওয়া বা নিজেকে রক্ষা করার মত কোন শিক্ষা বঙ্গবন্ধু গ্রহণ করেন নি। ’৭১ এর ২৫ মার্চ নিজের এবং পরিবারের জীবন অনিশ্চয়তায় জেনেও পালিয়ে যান নি তিনি। কারণ পালিয়ে যাওয়ার মত নেতা তিনি নন। গত কয়েকমাস আগে একটি মামলার আসামি হওয়ার সাথে সাথে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অন্য নেতাদের সাথে স্বয়ং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের লুকিয়ে পড়ার ঘটনা আমাকে বারবার বঙ্গবন্ধুর এই দৃঢ়তার কথা মনে করিয়ে দেয়। ১৯৩৮ সালে তার ছাত্রজীবনের একটি ঘটনা। বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, কোন গণ্যমান্য লোকের ছেলেদের বাকি রাখে নাই। সকাল ন টায় খবর পেলাম আমার মামা ও আরও অনেককে গ্রেফতার করে ফেলেছে। আমাদের বাড়িতে কী করে আসবে- থানার দারোগা সাহেবদের একটু লজ্জা লাগছিল। প্রায় দশটার সময় হল মাঠের ভিতর দাঁড়িয়ে দারোগা আলাপ করছে, তাঁর উদ্দেশ্য হলো আমি যেনো সরে যাই। টাউন হলের মাঠের পাশেই আমার বাড়ি। আমার ফুফাতো ভাই মাদারীপুর বাড়ি। আব্বার কাছে থেকেই লেখাপড়া করতো। সে আমাকে বলে, মিয়াভাই, পাশের বাসায় একটু সরে যাওনা। বললাম যাব না, আমি পালাব না। লোকে বলবে আমি ভয় পেয়েছি। ১৫ আগস্ট কাল রাতে উদ্যত মারণাস্ত্রের সামনে দাঁড়িয়েও বঙ্গবন্ধু তাঁর তর্জনী উত্তোলন করেছিলেন, ঘাতকরা তাঁর পিঠে গুলি করতে পারেনি। তিনি অসীম সাহসে মৃত্যুর মুখে নিজের বুক পেতে দিয়েছিলেন, পলায়ন কাকে বলে তা জানতেন না বঙ্গবন্ধু।
মহাত্মা গান্ধীকে গুলি করেছিল নাথুরাম গড্সে। একটি চরম হিন্দুত্ববাদী দলের সদস্য। তাদের অভিযোগ গান্ধীজী মুসলিমদের পক্ষে বলেন। মাত্র কয়েকদিন আগে আমেরিকার একটি জরিপে বলা হয়েছে রিপাবলিকানদের প্রতি তিনজনের একজন এখনও বিশ্বাস করে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা একজন মুসলিম। স্বাধীনতার পরে বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে তাকে এবং এখনো তার কন্যা শেখ হাসিনাকে অনেকেই হিন্দু বা হিন্দুদের দলের নেত্রী হিসেবে প্রচার করে। বিস্ময়ের ঘোর কাটে না। জেলজীবন নিয়ে এক জায়গায় বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, আমি তখন নামাজ পড়তাম এবং কোরআন তেলাওয়াত করতাম রোজ। কোরআন শরীফের বাংলা তরজমাও কয়েকখণ্ড ছিল আমার কাছে। ঢাকা জেলে শামসুল হক সাহেবের কাছ থেকে নিয়ে মওলানা মোহাম্মদ আলীর ইংরেজি তরজমাও পড়েছি।--- আমাকে রাখা হল শাস্তি দেয়ার জন্য। কারাগারের অন্ধকার কামরায় একাকী তাকা যে কী কষ্টকর, ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ অনুভব করতে পারবে না।
স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু বড় বড় কলকারখানা জাতীয়করণ করেছিলেন। এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে এমন রাজাকার আলবদর ও স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচারের জন্যে দালাল আইনের মাধ্যমে বিচারের ব্যবস্থা করে অন্যদের জন্যে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে সদ্য স্বাধীন দেশটিকে গড়ে তুলবেন। চীন সফরে গিয়ে তাঁদের দেশপ্রেম ও দেশগঠনের আগ্রহ প্রত্যক্ষ করে বঙ্গবন্ধু অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন যা তিনি এই বইয়ে উল্লেখ করেছেন। আজ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের একচেটিয়া বিশ্ব শাসন, যুদ্ধ ও যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং তাদের অদম্য আগ্রাসী রূপ দেখে সারা বিশ্ববাসী ক্ষুব্ধ, ব্যথিত ও হতাশ। এই অপশক্তিকে রুখবার কৌশলও জানা নেই এখন আক্রান্ত দেশগুলোর। এ বিষয়ে প্রায় ৫০ বছর আগে বঙ্গবন্ধু কী লিখেছিলেন, “আমি নিজে কমিউনিস্ট নই। তবে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করি। এবং পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে বিশ্বাস করি না। একে আমি শোষণের যন্ত্র হিসেবে মনে করি। এই পুঁজিপতি সৃষ্টির অর্থনীতি যতদিন দুনিয়ায় থাকবে ততদিন দুনিয়ার মানুষের উপর থেকে শোষণ বন্ধ করতে পারবে না। পুঁজিপতিরা নিজেদের স্বার্থে বিশ্বযুদ্ধ লাগাতে বদ্ধপরিকর। নতুন স্বাধীনতাপ্রাপ্ত জনগণের কর্তব্য বিশ্ব শান্তির জন্য সংঘবদ্ধভাবে চেষ্টা করা। যুগ যুগ ধরে পরাধীনতার শৃংখলে যারা আবদ্ধ ছিল, সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যাদের সর্বস্ব লুট করেছে তাদের প্রয়োজন নিজের দেশকে গড়া ও জনগণের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক মুক্তির দিকে সর্বশক্তি নিয়োগ করা। বিশ্ব শান্তির জন্য জনমত সৃষ্টি করা তাই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে”।
শেষ পর্যন্ত লিখতে পারলে আমরা হয়ত আরও অনেক কিছু জানতে পারতাম। স্বাধীকার আন্দোলনের মূল সময় পর্যন্ত তিনি আসতে পারেন নি। তার আগে ‘গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তার কারামুক্তি ঘটে। এরপরের ঘটনা প্রবাহ এত দ্রুত ঘটেছিল যে বঙ্গবন্ধু আর খাতা কলম নিয়ে বসারও সময় পাননি’। তারপরেও বলবো ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বাঙালির একটি পবিত্র গ্রন্থ। যা এই জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও জাতির জনকের সরল বয়ান।
অন্য কোন দলের কথা জানি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি অন্তত তার দলের ২০ ভাগ নেতাকর্মীকে বইটি পড়তে এবং অনুধাবন করার ব্যবস্থা করতে পারবেন? তাহলে শুধু দলের নয় জাতিরও বিশাল লাভ হতো তাতে।
লেখকঃ কবি, সাংবাদিক ও কলাম লেখক
email: qbadal@yahoo.com

valo laglo
উত্তরমুছুনমন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
মুছুনআপনার প্রতিনিয়ত লেখা চাই
উত্তরমুছুন